মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের মশলার বাজারেও

লালসবুজ ডেস্ক

প্রকাশ: ১১ এপ্রিল ২০২৬, ০১:১৩ পিএম

মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ ও অস্থিরতার প্রভাব পড়েছে দেশের মশলার বাজারে। আমদানি করা সবধরণের মশলার দাম বেড়েই চলছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এলসি খোলা ও আমদানির পরিমাণ কমতে শুরু করেছে। কিন্তুৃ পাইকাররা বলছেন, বাজারে যোগানোর সংকট নেই। তবে ভোক্তাকে কিনতে হচ্ছে বাড়তি দামেই।

মূলত বাংলার রসনা বিলাসে মসলার বিকল্প নেই। কাচ্চি বিরিয়ানি কিংবা গরুর মাংস, জিরা-এলাচ ছাড়া এর স্বাদ অপূর্নই থেকে যায়। আলু বোখরা, বাদাম যেন রান্নার স্বাদ আরও বাড়িয়ে তোলে। সেমব মশলা সামগ্রীর দাম বেশ বেড়েছে।

বাজারে আলু বোখরার দাম ৪৫০ টাকা থেকে বেড়ে এখন ১৪৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। পেস্তা বাদামের জন্যে বাজেট রাখতে হচ্ছে কেজিতে ৪২০০ টাকা। রান্নায় ব্যবহৃত অন্যতম উপকরণ জিরা বিক্রি হচ্ছে ৫৭০-৮৫০ টাকায়।

পাইকারি বিক্রতাদের দাবি— সরবরাহের ঘাটতি নেই, তবে আমদানিকারকেদের কাছ থেকে বেশি দামে কিনতে হচ্ছে। দোকানীরা বলছেন, পাইকারী বাজার বেশ চড়া যার প্রভাব পড়ছে খুচরা পর্যায়ে।

চাহিদার তুলনায় দেশে মশলা কম উৎপাদন হয়। তাই প্রতি বছর ৭ লাখ ম্রেটিক টন মশলা বিদেশ থেকে আনতে হয়। যুদ্ধের কারণে মশলা আমদানিতে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে। গত বছরের তুলনায় এলসি খোলার হার কমেছে প্রায় ১০ শতাংশ। এর সাথে যুক্ত হয়েছে আন্তর্জাতিক পরিবহন খরচ বৃদ্ধি।

প্রসঙ্গত, গত বছরের তুলনায় চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত দেশে মশলার আমদানি কমেছে প্রায় ১৫ শতাংশ।