ঢাকায় স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যা

লালসবুজ ডেস্ক

প্রকাশ: ০৮ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:৩২ পিএম

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকায় জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির গুলিতে নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় আবু সুফিয়ান ব্যাপারি মাসুদ নামে আরও একজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বুধবার (৮ জানুয়ারি) রাতে রাজধানীর কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউয়ে স্টার কাবাবের পাশের একটি গলিতে অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা মোটরসাইকেলে এসে মুছাব্বিরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এ সময় তার সঙ্গে থাকা মাসুদও গুলিবিদ্ধ হন।

ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের এডিসি ফজলুর রহমান জানান, রাত ৮টার কিছু পর ঘটনাটি ঘটে। গুলিবিদ্ধ দুজনকে দ্রুত পান্থপথের বিআরবি হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

মুছাব্বির ঢাকা মহানগর উত্তর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। পাশাপাশি তিনি কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তার কোনো সাংগঠনিক পদ না থাকলেও তিনি দীর্ঘদিন ছাত্রদল ও বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। অতীতে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় একাধিকবার গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারেও গিয়েছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শরীয়তপুর সমিতির একটি অনুষ্ঠান শেষে মুছাব্বিরসহ কয়েকজন ওই গলি দিয়ে যাওয়ার সময় হামলার শিকার হন। নিরাপত্তাকর্মী ও স্থানীয়দের সহায়তায় আহতদের হাসপাতালে নেওয়া হয়।

গুলিবিদ্ধ মাসুদকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, তার পেটের বাঁ পাশে গুলি লাগলেও অস্ত্রোপচারের পর তিনি শঙ্কামুক্ত আছেন।

মুছাব্বিরের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

এদিকে হত্যাকাণ্ডের খবর ছড়িয়ে পড়লে রাতেই কারওয়ান বাজারের সার্ক ফোয়ারা মোড়ে মুছাব্বিরের সমর্থকরা সড়ক অবরোধ করেন। এতে সাময়িকভাবে যান চলাচলে বিঘ্ন ঘটে। পরে সেনাবাহিনীর হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পুলিশ জানিয়েছে, হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ ও জড়িতদের শনাক্তে তদন্ত চলছে।