লালসবুজ ডেস্ক
প্রকাশ: ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ০৪:৪৪ পিএম
ইরানে হামলার পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছে যুক্তরাষ্ট্র। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অনুমোদন দিলেই হামলা হতে পারে বলে মধ্যপ্রাচ্যের একটি মিত্র দেশের নেতৃত্বকে অবহিত করেছেন মার্কিন জ্যেষ্ঠ সামরিক কর্মকর্তারা। পরিকল্পনা অনুমোদন পেলে আজ (রোববার) থেকেই হামলা শুরু হতে পারে, মিত্র দেশটিকে এমনটাই জানানো হয়েছে।
আরব সরকারগুলোর পরামর্শক এবং মধ্যপ্রাচ্য নীতি বিষয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের অনানুষ্ঠানিক এক উপদেষ্টা মার্কিন সংবাদমাধ্যম ড্রপ সাইট নিউজকে বলেছেন, ‘এটি পারমাণবিক অস্ত্র বা ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে নয়। এটি মূলত শাসনব্যবস্থা পরিবর্তনের বিষয়।’
তিনি জানান, ইরানের পারমাণবিক, ব্যালিস্টিক ও অন্যান্য সামরিক স্থাপনায় হামলার কথা ভাবছে যুক্তরাষ্ট্র। একই সঙ্গে ইরানের বর্তমান সরকার ও বিশেষ করে ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) নেতৃত্ব ও সক্ষমতা ধ্বংস করাও দেশটির লক্ষ্য।
একটি সূত্রের মতে, ট্রাম্প প্রশাসনের ধারণা হলো—ইরানের শীর্ষ নেতৃত্বকে উৎখাত করার পর দেশটির জনগণ আবার রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ শুরু করবে, যা শেষ পর্যন্ত সরকার পতনের দিকে মোড় নেবে। ড্রপ সাইটকে দু’জন জ্যেষ্ঠ আরব গোয়েন্দা কর্মকর্তা জানিয়েছেন, তাদের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী যেকোনো মুহূর্তে হামলা শুরু করতে পারে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) তুরস্কের নেতাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। সম্ভাব্য কূটনৈতিক সমাধান এগিয়ে নিতে আঞ্চলিক দেশগুলো গোপন বা ব্যাকচ্যানেল আলোচনার একটি কাঠামো তৈরির চেষ্টা করছে, যার মধ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও তুরস্কের নেতাদের নিয়ে একটি ত্রিপক্ষীয় বৈঠকের প্রস্তাবও রয়েছে—যার উদ্দেশ্য সম্ভাব্য হামলা ঠেকানো।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পও বলেছেন, হামলার সম্ভাব্যতা বুঝতে পেরে ইরান এখন ‘গুরুত্ব সহকারে’ কথা বলছে। এর আগে ইরানের শীর্ষ জাতীয় নিরাপত্তা কর্মকর্তা আলী লারিজানিও বলেছিলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার প্রস্তুতি চলছে।